init($el.children[0]))">
মির্জা আব্দুর রব বুলবুল, স্টাফ রিপোর্টার ঃ-
বাংলাদেশের সর্বত্র বর্ষাকালে নদ-নদী, খাল-
বিল বন্যার পানিতে পস্নাবিত হয়। এটা গ্রাম-
বাংলার চিরায়িত রূপ। বর্ষাকালে বন্যার পানি
বৃদ্ধি পাওয়ায় গ্রামীণ জনপদে উৎসবমূখর
পরিবেশে ডিঙি ও ছোট নেকৗা তৈরির হিড়িক
পড়ে যায়। বাংলাদেশ ছয়ঋতুর দেশ গ্রীষ্ম,
বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত শীত ও বসন্ত। আষাঢ়
শ্রাবণ বর্ষাকাল কিন্তু জলবায়ূ পরিবর্তনের
ফলে সঠিক সময়ে এখন বন্যার পানি আগের
মত নদ, নদী, খাল ও বিলে
আসেনা।
আবহমান গ্রাম-বাংলায় প্রতিবছর বর্ষা আসার
পূর্বে গ্রামীণ জনপদে পুরাতন নেকৗা মেরামত
ও নতূন নেকৗা তৈরির হিড়িক পড়ে। এ
সময়ে নেকৗা তৈরির কারিগরদের ব্যস্ততাও
বেড়ে যায়। নেকৗা তৈরির ভরা মেসৗুমে কাজ
বাদ রেখে তাদের দম ফেলানোর সময় নেই।
বর্ষা মেসৗুমে আবহমান গ্রাম-বাংলার গ্রামীণ
জনপদের অধিকাংশ এলাকা বন্যার পানিতে
থৈ থৈ করে। গ্রাম-বাংলার গ্রামীণ জনপদের
সকল রাস্তা-ঘাট, নদ, নদী, খাল-বিল বন্যার
পানিতে
ভরপুর
থাকে।
বর্ষাকালে
গ্রাম-
বাংলার মৎস্যজীবিরা মাছ ধরার কাজে ও
সাধারণ জনগন যাতায়াত করার জন্য ছোট-
বড় নেকৗা ব্যবহার করে। এছাড়া গরু-মহিষ
ও ছাগল-ভেড়ার ঘাস থেকে শুরু করে সব
কাজকর্ম ও জীবন হয়ে ওঠে নেকৗাময়। বর্ষা
মেসৗুম আসলে গ্রাম-বাংলার গ্রামীণ জনপদে
নেকৗার কদর বেড়ে যায়। বাংলাদেশে হাজার
হাজার
পরিবার
রয়েছে
কাঠমিস্ত্রি
পেশার
সাথে
সম্পৃ
ক্ত।
তাদের
জীবন
জীবিকার
একমাত্র
পথ।
গ্রাম-বাংলার
গ্রামীণ
জনপদে
সকল
কাঠমিস্ত্রিগণ বর্ষা মেসৗুম শুরুর আগ থেকে নেকৗা তৈরির
কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। বছরের বাকি সময় তারা চেয়ার-
টেবিল, দরজা-জানালা প্রভৃতি তৈরি করে জীবিকা নির্বাহ
করে। সরেজমিনে তথ্য অনুসন্ধানে গেলে কথা হয় নেকৗা
তৈরির কারিগর শ্রী সুভাষ চন্দ্র এর সাথে তিনি বলেন ৩০
বছর যাবৎ সে কাঠের কাজ করছেন এটা তার জীবিকা
নির্বাহের প্রধান অবলম্বন বলে জানান। আবহমান গ্রাম-
বাংলার গ্রামীণ জনপদে
বর্ষা মেসৗুমে একটি নেকৗা
১৫০০/- টাকা থেকে ৮০০০/-টাকায় বিিμ হয় বলে
কাঠমিস্ত্রিগণ জানান। কাঠমিস্ত্রিগণ জানান যে, তারা কিছু
নেকৗা
গ্রামীণ
জনপদের
হাট-বাজারগুলোতে
বিিμ
করেন। এছাড়া আশেপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ
এসে তাদের কাছ থেকে নেকৗা কিনে যায়। চলতি বছরে
বন্যার পানি দেরিতে আসায় নেকৗা বিিμ কম হচ্ছে বলে
কাঠমিস্ত্রিগণ জানান।
ডিঙি নেকৗা তৈরির হিড়িক পড়েছে
