init($el.children[0]))">
নিজস্ব প্রতিবেদক :
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে মহানবী
হজরত
মুহাম্মদ
(সা.)-এর
শান্তি,
ন্যায়,
সহমর্মিতা, ক্ষমা ও মানবিকতার আদর্শ অনুসরণ
করে ব্যি
ক্ত,
পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ন্যায়
ও
মানবিক
মূল্যবোধ
প্রতিষ্ঠার
আহ্বান
জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
পবিত্র
ঈদে
মিলাদুন্নবী
(সা.)
উপলক্ষ্যে
আজ
দেওয়া
এক
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মহানবী
(সা.)-এর
জীবন
ও
আদর্শ
অনুসরণ
করে
একটি
শান্তিপূর্ণ,
ন্যায়ভিত্তিক ও কল্যাণমুখী সমাজ
গড়ে তোলা সম্ভব।
তিনি
বলেন,
মহানবী
হজরত
মুহাম্মদ
(সা.)-এর
শুভাগমন
মানবসভ্যতার
ইতিহাসে
এক
অনন্য ও মহিমান্বিত ঘটনা। তার
আবির্ভাব মানুষের জন্য সত্য ও
আলোর এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন
করেছিল।
তিনি
মানুষকে
তাওহিদের দিকে আহ্বান করার
পাশাপাশি
সত্য,
ন্যায়,
সাম্য,
ভ্রাতৃত্ব, মানবিকতা ও শান্তির শিক্ষা
দিয়েছেন। তঁার পবিত্র জীবন ও
কর্ম
সমগ্র
মানবজাতির
জন্য
চিরন্তন পথনির্দেশ ও
অনুসরণীয় আদর্শ হয়ে
আছে।
পবিত্র
ঈদে
মিলাদুন্নবী
(সা.)
উপলক্ষ্যে
বাংলাদেশের
সর্বস্তরের
ধর্মপ্রাণ
মুসলমানসহ
বিশ্বের
সমগ্র
মুসলিম
উম্মাহকে
আন্তরিক
মোবারকবাদ
ও
শুভেচ্ছা
জানিয়ে
প্রধানমন্ত্রী
বলেন, 'মহান আলস্নাহ রাব্বুল আলামিনের দরবারে
অশেষ শুকরিয়া আদায় করছি, যিনি মানবজাতির
হেদায়াত ও কল্যাণের জন্য সর্বশেষ নবী ও রাসূল,
রহমাতুলিস্নল আলামিন হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে
পৃথিবীতে প্রেরণ করেছেন। তঁার প্রতি অগণিত
দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক।'
পবিত্র কুরআনে মহান আলস্নাহ তায়ালা ইরশাদ
করেছেন,
'নিশ্চয়ই
তোমাদের
জন্য
আলস্নাহর
রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ' (সূরা আল-
আহযাব,
আয়াত:
২১)।
মহানবী
(সা.)-এর
জীবন ছিল পবিত্র কুরআনের শিক্ষার বাস্তব ও
জীবন্ত প্রতিফলন। সত্যবাদিতা,
আমানতদারি,
ন্যায়বিচার, ক্ষমাশীলতা, সহনশীলতা, দয়া ও
পরোপকারের অনন্য দৃষ্টান্ত তিনি স্থাপন করেছেন।
তঁার জীবনাচরণে আমরা যেমন আলস্নাহর প্রতি
গভীর আনুগত্যের শিক্ষা পাই, তেমনি মানুষের
প্রতি ভালোবাসা, দায়িত্ববোধ ও মহানুভবতার
অপূর্ব প্রকাশ দেখতে পাই।
মহানবী
(সা.)
জাতি,
বর্ণ,
গোত্র,
ভাষা
ও
সামাজিক
অবস্থানের
বিভেদ
অতিμম
করে
মানুষের
মর্যাদা
ও
অধিকার
প্রতিষ্ঠায়
জোর
দিয়েছেন উলেস্নখ করে তারেক রহমান বলেন, তিনি
এতিম, দরিদ্র, অসহায় ও বঞ্চিত মানুষের প্রতি
দায়িত্বশীল ও সহমর্মী হওয়ার শিক্ষা দিয়েছেন।
পরিবার,
প্রতিবেশী,
নারী,
শিশু
এবং সমাজের দুর্বল ও প্রান্তিক
মানুষের
অধিকার
রক্ষার
ওপর
তিনি
বিশেষ
গুরুত্বারোপ
করেছেন।
তঁার
শিক্ষা
মানুষে
মানুষে বিভেদ নয়, বরং ভ্রাতৃত্ব,
সম্প্রীতি
ও
পারস্পরিক
দায়িত্ববোধের
বন্ধনকে
সুদৃঢ়
করে। তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্ব
নানা সংকট ও চ্যালেঞ্জের মধ্য
দিয়ে
অতিμম
করছে।
যুদ্ধ,
সংঘাত,
হিংসা,
বৈষম্য,
অসহিষ্ণুতা
ও
নৈতিক
অবক্ষয়
মানুষের
শান্তি,
নিরাপত্তা
ও
স্বাভাবিক জীবনকে ব্যাহত করছে।
এমন এক সময়ে মহানবী (সা.)-
এর শান্তি, ন্যায়, সহমর্মিতা, ক্ষমা
ও
মানবিকতার
শিক্ষা
অত্যন্ত
প্রাসঙ্গিক।
তঁার
জীবনাদর্শ
অনুসরণ করে ব্যি
ক্ত,
পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রীয়
জীবনে ন্যায়, দায়িত্ববোধ ও মানবিক মূল্যবোধ
প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি শান্তিপূর্ণ ও কল্যাণমুখী
সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। প্রধানমন্ত্রী
বলেন,
'আমাদের তরুণ প্রজন্মই দেশের ভবিষ্যৎ। তাদের
মাদক, সন্ত্রাস, উগ্রতা ও অপরাধের পথ থেকে
দূরে রেখে জ্ঞান, সৃজনশীলতা,
বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
নৈতিকতা, মানবিকতা ও দেশপ্রেমের চেতনায় গড়ে তুলতে মহানবী (সা.)-
এর জীবন ও আদর্শ হতে পারে এক অনন্য প্রেরণার উৎস। তঁার আদর্শ
তরুণদের সত্য ও ন্যায়ের পথে অবিচল থাকতে, অন্যের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে
এবং সমাজ ও দেশের প্রতি দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনে উদ্বুদ্ধ করতে পারে।'
তিনি বলেন, 'মহানবী (সা.)-এর শিক্ষা শুধু মুসলমানদের ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক
জীবনের জন্য নয়, মানবিক ও নৈতিক মূল্যবোধের বিকাশের ক্ষেত্রেও গভীর
তাৎপর্য বহন করে। তঁার আদর্শকে আমাদের ব্যি
ক্ত
জীবন, পারিবারিক জীবন
ও সামাজিক আচরণে ধারণ করতে হবে। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা,
সহনশীলতা ও ন্যায়বোধকে শি
ক্ত
শালী করার মধ্য দিয়েই আমরা একটি
শান্তিপূর্ণ, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারি।'
প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'মহান আলস্নাহ তায়ালা আমাদের প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ
(সা.)-এর সুমহান জীবনাদর্শ ও সুন্নাহ অনুসরণ করার তাওফিক দান করুন।
তঁার শিক্ষা ও আদর্শ আমাদের ব্যি
ক্ত
ও সমাজজীবনে সত্য, ন্যায়, সাম্য,
ভ্রাতৃত্ব ও মানবিকতার চেতনাকে আরো সুদৃঢ় করুক। বাংলাদেশসহ সমগ্র
বিশ্বে শান্তি, ন্যায়, সাম্য, সমৃদ্ধি ও মানবিকতা প্রতিষ্ঠিত হোক-এই পবিত্র
দিনে এটাই আমার আন্তরিক প্রার্থনা।'
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে তিনি দেশবাসীসহ সমগ্র মুসলিম
উম্মাহর প্রতি আন্তরিক মোবারকবাদ ও শুভেচ্ছা জানান।
