init($el.children[0]))">
সিরাজগঞ্জের জেলা রেজিস্ট্রার মোঃ শরীফ তোরাফ
হোসেনের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ-
বাংলাদেশের
μান্তিলগ্নে
সিরাজগঞ্জ
জেলার
জেলা
রেজিস্ট্রার মোঃ শরীফ তোরাফ হোসেন তার দপ্তরকে ঘুষ
বাণিজ্যের
আকড়া
হিসেবে
গড়ে
তুলেছে।
রাজস্ব
আদায়ের সবচেয়ে বড় সেক্টর হচ্ছে ভূমি রেজিস্ট্রেশন
খাত। তারই ধারাবাহিকতায় ভূমি সংμান্ত যে কোন
সেবার জন্য সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের কোন বিকল্প নেই।
কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় সাধারণ মানুষেরা যখন
তাদের
অতীব
প্রয়োজনের
তাগিদে
জমি
রেজিস্ট্রি
করতে
আসে
তখন
তাদেরকে পুঁজি করে জেলা
রেজিস্ট্রারের নিজস্ব বাহিনী
দ্বারা
জেলার
সকল
সাব-
রেজিস্ট্রি
অফিস
থেকে
কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে
নিচ্ছে যা দেখার কেউ নেই।
সরেজমিনে তথ্য অনুসন্ধানে
গেলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক
অনেকে বলেন দুর্নীতি দমন কমিশন যেন এর সঠিক তদন্ত
করে বিচার করেন এটা এ জেলার জনগণের প্রত্যাশা।
তিনি মিষ্টি মিষ্টি কথার আড়ালে বীর দর্পে নীরবে বসে ঘুষ
বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে যা দেখার কেউ নেই। জেলা
রেজিস্ট্রার
মোঃ
শরীফ
তোরাফ
হোসেন
সিরাজগঞ্জ
জেলাকে নিরাপদ ঘুষ বাণিজ্যের স্থান হিসেবে জানে।
কারণ ইতিপূর্বে সে অত্র জেলায় দীর্ঘ দিন সাব-রেজিস্ট্রার
হিসেবে কর্মরত ছিলেন, তখন থেকে সে এ জেলার ঘুষ
বাণিজ্যের সকল পথ সম্পর্কে অবগত ছিলেন। তাই সে
পদোন্নতি পাওয়া মাত্রই দেরি না করে সিরাজগঞ্জ জেলার
জেলা রেজিস্ট্রার হিসেবে বদলী নিয়ে এসেছেন। তার ঘুষ
বাণিজ্যে কেউ বঁাধা প্রদান করলে তাকে তিনি বিভিন্ন
ভাবে হয়রানি করে থাকেন। গত ২৯/০৪/২০২৬ ইং
তারিখে জেলা রেজিস্ট্রার সাহেব যখন তাড়াশ সাব-
রেজিস্ট্রি অফিস পরিদর্শন করতে আসে এসে তিনি তার
বিশ্বস্ত কেরানী মোঃ রজব আলীর মারফতে দলিল লেখক
সমিতির
কাছ
থেকে-
৭৫,০০০/-(পচঁাত্তুর
হাজার)
টাকা ঘুষ দাবী করেন এবং
মোঃ রজব আলীর মাধ্যমে সে
উক্ত
৭৫,০০০/-
(পঁচাত্তুর
হাজার) টাকা ঘুষ নেন। এ
সময়ে তাড়াশ দলিল লেখক
সমিতির অন্যতম সদস্য মির্জা
আব্দুর
রব
বিপুল
পরিমাণ
টাকা ঘুষের বিষয়ে
প্রতিবাদ
করেন।
তার
ঘুষ
বাণিজ্যে
বাধা প্রদান করায় সিরাজগঞ্জ জেলা রেজিস্ট্রা মোঃ শরীফ
তোরাফ হোসেন ব্যি
ক্ত
গত আμশে তিনি মির্জা আব্দুর রব
এর লাইসেন্স বাতিল করার জন্য অন্যের জমি লিখে
নেওয়ার মিথ্যা
অপবাদ
দিয়ে
তদন্ত
করে
লাইসেন্স
বাতিলের পাঁয়তার করছে বলে ভূ
ক্ত
ভোগী মির্জা আব্দুর রব
এ প্রতিবেদকে গভীর আপেক্ষের সাথে জানান। তিনি
জানান গত ২৯/০৬/২০২৬ ইং তারিখে শাহজাদপুর
গতকাল সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী আফরোজা খানম এবং প্রতিমন্ত্রী এম.
রশিদুজ্জামান মিলস্নাতের সঙ্গে সেজৗন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযু
ক্ত
সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আবদুলস্নাহ ইবন
ধাফের ইবন উবাইয়া।
সিরাজগঞ্জের জেলা রেজিস্ট্রার
সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের সাব-রেজিস্ট্রার মোঃ রবিউল ইসলামকে তদন্ত
অফিসার নিযু
ক্ত
করে জেলা রেজিস্ট্রার মোঃ শরীফ তোরাফ হোসেন একটা
যড়যন্ত্রমুলক তদন্ত করেছেন। এ ঘুষ বাণিজ্য প্রতিরোধ করতে ভূ
ক্ত
ভোগী
সরকারের সংশিস্নষ্ট বিভাগে মামলা করবেন বলে জানান। সিরাজগঞ্জ জেলার
সকল অফিসের দলিল লেখকদের মধ্যে থেকে কেউ ঘুষ বাণিজ্যের জন্য
প্রতিবাদ করলে জেলা রেজিস্ট্রার সাহেব তার লাইসেন্স বাতিলের হুমকি দেন।
অসহায় দলিল লেখকগণ লাইসেন্স হারানোর ভয়ে নীরবে সকল অত্যাচার ও
অন্যায় মেনে নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। সিরাজগঞ্জ জেলা রেজিস্ট্রার মোঃ
শরীফ তোরাফ হোসেন খুবই লোভী ও নীচু মনের মানুষ নিজের স্বার্থ চরিত্রার্থ
করার জন্য সে তার
অধীনে থাকা দলিল লেখকগণের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক
ব্যবস্থা নিয়ে থাকেন। জেলা রেজিস্ট্রারের কাছে সকল অফিসের দলিল
লেখকগণ বড় অসহায়। সিরাজগঞ্জ জেলা রেজিস্ট্রার মোঃ শরীফ তোরাফ
হোসেন প্রকৃত পক্ষেই একজন দূর্নীতিবাজ সরকারী কর্মকর্তা এলাকাবাসীর
প্রাণের দাবী তার দেশের বাড়ি সহ যাবতীয় সম্পদের হিসাব নিলে প্রকৃত তথ্য
বের হয়ে আসবে বলে তারা জানান। তাড়াশ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের কেরানী
মোঃ রজব আলী ওপেনে জনগণের কাছ থেকে প্রতিদলিলে বিভিন্ন অজুহাতে-
১০০০/- (একহাজার) টাকা থেকে ১০,০০০/-(দশহাজার) টাকা ঘুষ নেন।
এ ব্যাপারে জেলা রেজিস্ট্রার সাহেবকে বললে তিনি কোন সদ উত্তর দিতে
পারেননি। এলাকাবাসীর প্রাণের দাবী ঘুষখোর কেরানী মোঃ রজব আলী ও
জেলা রেজিস্ট্রার মোঃ শরীফ তোরাফ হোসেনকে দ্রুত
বদলী করা হোক।
সিরাজগঞ্জ জেলাবাসী জোর দাবী জানান কর্তৃপক্ষ যেন দেশের μান্তিলগ্নে
এহেন দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাকে শাস্তির আওতায় এনে ন্যায় বিচার করেন।
