init($el.children[0]))">
দুর্নীতির বিরুদ্ধে স্থানীয়দের বিক্ষোভ
মফিদুল ইসলাম লাভলু (ময়মনসিংহ)
ময়মনসিংহের
তারাকান্দা
উপজেলা
এলাকায়
অবস্থিত
জমিরিয়া
ইমদাদিয়া
ঢাকিরকান্দা
ছাতিয়ানতলা
মদাদিয়া
কওমি
মাদরাসায়
দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে
বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। শুμবার (২২
মে)
জুমার
নামাজের
পর
পূর্বনির্ধারিত
আলোচনাসভায়
এ
বিক্ষোভ
অনুষ্ঠিত
হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ
৫ আগস্টের পর পূর্বের
কমিটিকে সরিয়ে নতুন কমিটি গঠন করা হলে
মাদরাসাটির শিক্ষার পরিবেশ ও ছাত্রসংখ্যা কিছুটা
বৃদ্ধি পায়। তবে বিগত প্রায় ৩৭ বছর ধরে দায়িত্বে
থাকা সাবেক কমিটির সদস্যরা মাদরাসার অর্থ
আত্মসাৎ
করেছেন
এবং
প্রতিষ্ঠানের
দৃশ্যমান
কোনো উন্নয়ন করেননি। বিক্ষোভে অংশ নেওয়া
স্থানীয়রা জানান প্রতি বছর দানকৃত ধান, বার্ষিক
মাহফিল এবং নগদ অনুদান মিলিয়ে মাদরাসায়
প্রায় ১১ থেকে ১২ লাখ টাকা আয় হতো। কিন্তু
সেই অর্থের সঠিক হিসাব পাওয়া যায়নি। তারা
অভিযোগ করেন, সাবেক সভাপতি আইয়ুব আলী,
সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল রাজ্জাক সরকার এবং সাবেক সেেμটারি মোঃ শহীদুলস্নাহ, শহীদ দীর্ঘদিন ধরে এসব অর্থ লুটপাট করেছেন। স্থানীয়দের ভাষ্য, শতবর্ষী
এ মাদরাসা থেকে বহু আলেম বের হয়েছেন এবং এটি এলাকার একটি ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। তাই এখানে কোনো ধরনের দুর্নীতি বরদাস্ত করা
হবে না। বর্তমান কমিটির সভাপতি ও সাবেক সেনা সদস্য এমরান খান সাংবাদিকদের বলেন তিনি সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। গত
১৮ মাসের আয়-ব্যয়ের হিসাব রেজিস্টার খাতায় সংরক্ষিত রয়েছে বলেও জানান তিনি। এছাড়া তিনি ব্যি
ক্ত
গতভাবে ৫৬ হাজার টাকা অনুদান দিয়েছেন বলে
দাবি করেন। তিনি আরও বলেন একসময় মাদরাসাটি প্রায় বন্ধ হওয়ার উপμম হয়েছিল। বর্তমানে ছাত্রসংখ্যা বেড়ে শতাধিক হয়েছে এবং ১৮ জন শিক্ষক
নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন দান-অনুদান থেকে প্রায় সাড়ে চার লাখ টাকা সংগ্রহ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। এমরান খানের অভিযোগ, বারবার
অনুরোধ করার পরও সাবেক সভাপতি আইয়ুব আলী, সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল রাজ্জাক এবং সাবেক সেেμটারি মোঃ শহীদুলস্নাহ,শহীদ পূর্ববর্তী আয়-ব্যয়ের
হিসাব দিচ্ছেন না। এছাড়া সাবেক সেেμটারি মো. শহীদুলস্নাহ, শহীদ তার অনুমতি ছাড়াই মাদরাসার মোহতামিম ইসমত আলীআশিকর যোগসাজেশে
মাদরাসার পুকুরের মাছ বিিμ করে ৪৫ হাজার টাকা নিয়ে গেছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। একইসঙ্গে এক নারীর দান করা এক লাখ টাকা আত্মসাতের
অভিযোগও তোলেন, যা পরে উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানান।তিনি আরও অভিযোগ করেন মোঃ শহীদুলস্নাহ, শহীদ কমিটির কারো সাথে আলোচনা না করেই
একাধিক শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছেন। তিনি বলেন এভাবে একটি ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হতে পারে না। সাবেক কমিটির সদস্যদের দ্রুত আয়-ব্যয়ের
পূর্ণাঙ্গ হিসাব দিতে হবে। আলোচনার দিন সাবেক সভাপতি আইয়ুব আলী ও সাবেক সেেμটারি মোঃ শহীদুলস্নাহ, শহীদ উপস্থিত না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ
করেন স্থানীয়রা। পরে তারা অভিযু
ক্ত
দের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন মোঃ আহমদ উলস্নাহ, সভাপতি এমরান খান, চেয়ারম্যান
আবু হানিফ সরকার, মাওলানা আবুল হাসেম, মাওলানা জালাল হোসেন, ডা.রাশেদ, ডা.স্যাইদ, মোঃ আজহার, মোঃ আজহারুল ইসলাম, সাবেক সভাপতি
ও উপদেষ্টা আব্দুল রাজ্জাক সরকার, মহতামিম ইসমত আলী আশিকী সহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যি
ক্ত
বর্গ।
