নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীর পলস্নবীতে রামিসা আ ক্ত ার নামে আট বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার মামলায় সোহেল রানা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না ক্ত ারকে অভিযু ক্ত করে দেওয়া অভিযোগপত্র দেখেছেন আদালত। মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ায় ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে বদলির আদেশ দেওয়া হয়েছে। রবিবার (২৪ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হকের আদালত অভিযোগপত্রটি দেখে বদলির আদেশ দেন। প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবুল কালাম আজাদ তথ্য জানান।এরআগে দুপুরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পলস্নবী থানার এসআই অহিদ জ্জামান দুই জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেনন।তদন্ত কর্মকর্তা এসআই অহিদুজ্জামান বলেছেন, সোহেল রানার বিরুদ্ধে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ এবং স্বপ্নার বিরুদ্ধে ধর্ষণের পর মৃত্যুর সহায়তার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। মামলায় ১৫ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা। গত ১৯ মে দুপুরে পলস্নবীর ১১ নম্বর সেকশনের বি বস্নকের একটি ভবনের ফ্ল্যাট থেকে রামিসার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশ বলেছে, ওইদিন সকালে পাশের ফ্লাটের বাসিন্দা ৩২ বছরের সোহেল শিশুটিকে গলা কেটে হত্যার পর মাথা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলেন। এরপর ফ্ল্যাটের সাবলেট এই ভাড়াটে গ্রিল কেটে পালিয়ে যান। তবে তার স্ত্রী স্বপ্না আ ক্ত ার ঘরেই ছিলেন। পুলিশ বাসা থেকে স্বপ্নাকে আটক করে। পরে সন্ধ্যায় সোহেলকে নারায়ণগঞ্জের ফতুলস্না থেকে গ্রেফতার করা হয়।এ ঘটনায় রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোলস্না দুই জনকে আসামি করে সেদিনই পলস্নবী থানায় মামলা করেন। এদিকে আসামিপক্ষে ঢাকা আইনজীবী সমিতির কোনও সদস্য আইনি সেবা দেবেন না বলে সিদ্ধা ন্ত নেওয়া হয়েছে। মামলা, বদলির আদেশ